2017/04/30

আপডেইট হয়েছে :  

স্বরণিকা

সর্বশেষ বিষয়

আমাদের তরফ হতে সহযোগিতা

ইউপি নির্বাচনে সংঘর্ষ ও গুলিতে ৫ জেলায় ৬ জন নিহত

অনিয়ম ও সহিংসতার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতায় রাজশাহী, গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁও, কুমিল্লা ও নরসিংদীতে ছয়জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে আজ (শনিবার) দুপুরে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার একটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে দু’জন, ঠাকুরগাঁওয়ে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ থামাতে পুলিশের গুলিতে একজন ও কুমিল্লায় দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে আরেকজন নিহত হন। এছাড়াও নরসিংদীতে আওয়ামী লীগ ও দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে একজন এবং গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে।

 

রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার আউচমারা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সরদার জান মোহাম্মদের সমর্থকদের সঙ্গে হাটগাঙ্গো পাড়া এলাকায় দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী ও ইউনিয়নিআওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহীদুজ্জামান শহীদের লোকজনের কথাকাটির সূত্র ধরে ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই জাহিদুল ইসলাম বুলু (৩০) ও সিদ্দিকুর রহমান (৩০) নামে দুই যুবক নিহত হন। এ ঘটনায় আরও ৩০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

 

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লেবু মিয়া নামে একজন নিহত হয়েছে। বাড়ি ধাপেরহাট সংলগ্ন দামদারি গ্রামে। ওই গ্রামটি রংপুরের পীরগঞ্জ এলাকার অন্তর্গত।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কেন্দ্রেই ফলাফল ঘোষণার দাবিতে ধাপেরহাট ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুল ইসলামের সমর্থকেরা রাত পৌনে আটটার দিকেধাপেরহাট বাজার এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে ও শুয়ে পড়ে অবরোধ সৃষ্টি করে। এ সময় মহাসড়কের উভয় পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও বিজিবি ঘটনাস্থলে গিয়ে লাঠিপেটা করে ও রাবার বুলেট ছোড়ে। এ সময় ওই প্রার্থীর সমর্থকেরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে সাদুল্যাপুর থানার ওসি ফরহাদ ইমরুল কায়েসসহ পাঁচজন পুলিশ সদস্য ও অন্তত সাতজন বিক্ষোভকারী আহত হন। গুরুতর আহত লেবু মিয়াকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।

 

ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের কালডাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে পুলিশের গুলিতে মাহাবুব হোসেন পল্টু (১৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত পল্টু ঝিগরগাছা গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে।

 

শনিবার দুপুরে ওই কেন্দ্রে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে বিশৃংখলা সৃষ্টি হলে তা নিয়ন্ত্রণে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা গুলি ছোড়ে। এতে একজন নিহত ও গুলিবিদ্ধসহ অন্তত সাতজন আহত হন। ওই কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করে প্রশাসন।

 

নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার পাড়াতলী ইউনিয়নের মধ্যনগর এলাকায় জমিদারবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখল করে নৌকা প্রতীকে সিল মারার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জাকির হোসেনের সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ হয়। এ সময় বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থক একই এলাকার আ. রাজ্জাকের ছেলে হোসেন আলী (৫৫) টেঁটা বিদ্ধ হন। তাকে উদ্ধার করে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

 

কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার উত্তর চালনায় দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে তাপস চন্দ্র দাস (৩৮) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তাপস চান্দলা গ্রামের কানু চন্দ্র দাসের ছেলে। শনিবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি এসএম বদিউজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।#

 

আশরাফুর রহমান/৭

 

 

 

 

 

sharethis ইউপি নির্বাচনে সংঘর্ষ ও গুলিতে ৫ জেলায় ৬ জন নিহত

ارسال یک پاسخ

ایمیل شما منتشر نمی شود.
আবশ্যকীয় বিষয়গুলো * চিহৃ দ্বারা নির্দিষ্ট করা হয়েছ।.

*


− 2 = چهار

আমাদেরসাথেযোগাযোগ| RSS | সাইটেরভূমিকা

এইসাইটেরসর্বস্বত্ব ‘ইসলাম১৪’ এরজন্যসংরক্ষিত; তবেরিফারেন্সসহকোনকিছুবর্ণনাকরতেপারেন।