2017/04/30

আপডেইট হয়েছে :  

স্বরণিকা

সর্বশেষ বিষয়

আমাদের তরফ হতে সহযোগিতা

জর্দান নদীর পশ্চিম তীরকে ইসরাইলের অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ: ক্ষুব্ধ ফিলিস্তিনিরা

ইসরাইলের আইন ও বিচারমন্ত্রী পিশতার ইলিয়াত শাকিদ এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন বলে কথা রয়েছে। সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে জর্দান নদীর পশ্চিম তীরকে ইসরাইলি ভূখণ্ডে সংযুক্ত করার বিষয়ে তেলআবিবের কর্মকর্তাদের নানা উদ্যোগের কথা শোনা যাচ্ছে। ওই এলাকার ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য এ পদক্ষেপ ইসরাইলের মারাত্মক ষড়যন্ত্র বলে অনেকে মনে করছেন। ইসরাইলের একটি সূত্র জানিয়েছে, জর্দান নদীর পশ্চিম তীরকে ইসরাইলি ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সংসদে নতুন একটি আইন পাশ করা হয়েছে।

 

বিশ্লেষকরা বলছেন, দখলদার ইসরাইল বিভিন্ন কৌশলে মধ্যপ্রাচ্যে নিজের অবস্থানকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। এরই অংশ হিসেবে তারা ১৯৬৭ সালে জর্দান নদীর পশ্চিম তীরকে দখল করার পর থেকে ওই এলাকার ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এ লক্ষ্যে ইসরাইল জর্দান নদীর পশ্চিম তীরে পর্যায়ক্রমে ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে ফেলে সেখানে ইহুদি উপশহর নির্মাণ করছে বহুদিন ধরে। এর মাধ্যমে তারা ওই এলাকার জনসংখ্যার কাঠামো নিজেদের অনুকূলে আনার পাশাপাশি ইসলাম ও মুসলমানদের ঐতিহ্য ও স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলার চেষ্টা করছে।

 

১৯৪৮ সালে ইসরাইল নামক অবৈধ ক্ষুদ্র রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর তারা ১৯৬৭ সালে ফিলিস্তিনিদের যেসব এলাকা দখল করেছিল একের পর এক সেগুলোকে তারা ইসরাইলের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়। প্রকৃতপক্ষে ইসরাইল জর্দান নদীর পশ্চিম তীরকে অন্তর্ভুক্ত করার আগে বায়তুল মোকাদ্দাস এলাকা দখল করে নিয়েছিল। ইসরাইল প্রথমে ১৯৪৮ সালে পশ্চিম বায়তুল মোকাদ্দাস এবং ১৯৬৭ সালে পূর্ব বায়তুল মোকাদ্দাস দখল করেছিল। এরপর তারা দখলে থাকা বায়তুল মোকাদ্দাসের অংশকে ১৯৮১ সালে ইসরাইলি ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত করে যাতে বায়তুল মোকাদ্দাসকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে সারা বিশ্বের স্বীকৃতি আদায় করা যায়।

 

বর্তমানে ইসরাইল জর্দান নদীর পশ্চিম তীরকে তাদের মূল ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। ইসরাইল অবশ্য অনেক আগে থেকেই ওই এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য করার জন্য ফিলিস্তিনিদের ওপর নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। বাস্তবতা হচ্ছে ইসরাইল পুরো ফিলিস্তিনের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য দখলদারিত্ব ও ফিলিস্তিনিদের ওপর জুলুম নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। জেনেভা কনভেনশন ও জাতিসংঘ প্রস্তাব অনুযায়ী দখলদার শক্তি হিসেবে ইসরাইলের নিয়ন্ত্রিত এলাকার ভৌগোলিক ও জনসংখ্যার কাঠামোয় পরিবর্তন আনার কোনো অধিকার তাদের নেই। কিন্তু আন্তর্জাতিক সমাজের নীরবতার কারণে ইসরাইল পুরো ফিলিস্তিনকে গ্রাস করার জন্য আগের চেয়ে আরো বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

 

মোঃ রেজওয়ান হোসেন/৮

 

 

 

 

sharethis জর্দান নদীর পশ্চিম তীরকে  ইসরাইলের অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ: ক্ষুব্ধ ফিলিস্তিনিরা

ارسال یک پاسخ

ایمیل شما منتشر نمی شود.
আবশ্যকীয় বিষয়গুলো * চিহৃ দ্বারা নির্দিষ্ট করা হয়েছ।.

*


چهار + = 12

আমাদেরসাথেযোগাযোগ| RSS | সাইটেরভূমিকা

এইসাইটেরসর্বস্বত্ব ‘ইসলাম১৪’ এরজন্যসংরক্ষিত; তবেরিফারেন্সসহকোনকিছুবর্ণনাকরতেপারেন।